গণভোটের রায় অমান্যের অভিযোগ তুলে ভোলায় বিক্ষোভ সমাবেশ, মিছিল ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে ১১ দলীয় জোট। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকেল ৫টায় ভোলা প্রেসক্লাব চত্বরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি প্রেসক্লাব চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে নেতাকর্মীরা শহরের বিভিন্ন এলাকা, দোকানপাট ও জনবহুল স্থানে গিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগসংবলিত লিফলেট বিতরণ করেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকার গণভোটের রায় অমান্য করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। তারা বলেন, ঘোষিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি এবং ঘুম কমিশনসহ গুরুত্বপূর্ণ কমিশন বাতিলের উদ্যোগ জনগণের প্রত্যাশার পরিপন্থী। এসব সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বক্তারা অবিলম্বে জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর আহ্বান জানান।
বক্তারা আরও বলেন, তারেক জিয়ার ঘোষিত ৩১ দফার প্রথম দফায় সংবিধান সংস্কার এবং স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি থাকলেও, বাস্তবে তা কার্যকর করার কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। বরং বিদ্যমান সংবিধান বহাল রাখার প্রবণতা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল বলে তারা মন্তব্য করেন।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মাস্টার মোঃ জাকির হোসাইন, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা হারুন অর রশিদ, বাংলাদেশ নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জিয়াউর রহমান, বিডিপির জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট ইলিয়াস সুমন, এলডিপির জেলা সভাপতি সাংবাদিক বশির আহমেদ, খেলাফত মজলিসের সহ-সভাপতি মাওলানা নুরুল হক, এনসিপির জেলা সদস্য সচিব মোঃ মাকসুদুর রহমান, সদর উপজেলা আমির মাওলানা কামাল হোসেন এবং পৌর আমির মাওলানা জামাল উদ্দিনসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য, পৌর নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।


















