সংবাদ শিরোনাম ::
লালমোহনে ছাত্রদল নেতাকে ১৬৯ পিস ইয়াবাসহ আ\ট\ক ! অত:পর বহিস্কার একনেক বৈঠক স্থগিত, আটকে গেল ১৫ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন ক্যান্সারে আক্রান্ত জেলে সাদ্দামের পাশে ‘তারুণ্যের পথচলা সংগঠন’, পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তা বোরহানউদ্দিনে ইয়াছিন পাড়া ডিগ্রি কলেজে ল্যাব সহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ চরফ্যাশনে এ পি পি এডভোকেট হিরনের বিরুদ্ধে জেলা জজের গন বিজ্ঞপ্তি তজুমদ্দিনে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে জেলেদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ উপজেলার মেধা তালিকায় ২য় হয়েও নিয়োগ বঞ্চিত লালমোহনের ফয়জুল আলম ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়ায় আজ মধ্যরাত থেকে ২২ দিনের জন্য ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা লালমোহনে এসএসসির বৃত্তির ফলাফলে হা-মীমের শিক্ষার্থীদের চমক শশীভূষণ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ তিন ডাকাত সদস্য গ্রেফতার !
সংবাদ শিরোনাম ::
লালমোহনে ছাত্রদল নেতাকে ১৬৯ পিস ইয়াবাসহ আ\ট\ক ! অত:পর বহিস্কার একনেক বৈঠক স্থগিত, আটকে গেল ১৫ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন ক্যান্সারে আক্রান্ত জেলে সাদ্দামের পাশে ‘তারুণ্যের পথচলা সংগঠন’, পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তা বোরহানউদ্দিনে ইয়াছিন পাড়া ডিগ্রি কলেজে ল্যাব সহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ চরফ্যাশনে এ পি পি এডভোকেট হিরনের বিরুদ্ধে জেলা জজের গন বিজ্ঞপ্তি তজুমদ্দিনে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে জেলেদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ উপজেলার মেধা তালিকায় ২য় হয়েও নিয়োগ বঞ্চিত লালমোহনের ফয়জুল আলম ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়ায় আজ মধ্যরাত থেকে ২২ দিনের জন্য ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা লালমোহনে এসএসসির বৃত্তির ফলাফলে হা-মীমের শিক্ষার্থীদের চমক শশীভূষণ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ তিন ডাকাত সদস্য গ্রেফতার !

ক্যানসারে আক্রান্ত রাজমিস্ত্রি জিলন বাঁচতে চান, সহায়তার আকুতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাজমিস্ত্রি মোহাম্মদ জিলন (৩২)। দিনভর কঠোর পরিশ্রম করে দুই সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে স্বপ্নের ছোট্ট সংসার গড়ে তুলেছিলেন তিনি। নিজের হাতে অন্যের ঘর নির্মাণ করলেও আজ সেই জিলনের নিজের জীবনটাই যেন ভেঙে পড়ার পথে। মরণব্যাধি ক্যানসার কেড়ে নিয়েছে তার কর্মক্ষমতা, থমকে গেছে পরিবারের স্বাভাবিক জীবন।

শুধু জিলনই নন, তার স্ত্রীও দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক কিডনিজনিত জটিলতায় ভুগছেন। একদিকে স্বামীর ক্যানসারের চিকিৎসা, অন্যদিকে স্ত্রীর অসুস্থতা—দুই দিকের এই সংকটে পরিবারটি এখন অসহায়।

ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার পর সহায়-সম্বল যা ছিল, তা বিক্রি ও খরচ করে চিকিৎসা শুরু করেন জিলন। ইতোমধ্যে ঢাকার মহাখালীর জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) চিকিৎসা নিতে গিয়ে প্রায় তিন লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার জন্য আরও বিপুল অর্থের প্রয়োজন।

জিলনের দুই সন্তানই এখনও ছোট। তাদের কারও পক্ষে উপার্জন করা সম্ভব নয়। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি জিলন বর্তমানে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী। ফলে চিকিৎসার খরচ তো দূরের কথা, পরিবারের নিত্যদিনের খাবার ও প্রয়োজনীয় খরচ জোগাড় করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

পরিবারের স্বজনরা জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত চিকিৎসা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যা চালিয়ে যেতে পারলে জিলনের সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আশা রয়েছে। কিন্তু অর্থের অভাবে সেই চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়াই এখন সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চোখে বাঁচার স্বপ্ন, অথচ সামনে চিকিৎসার বিশাল ব্যয় এই কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও হাল ছাড়তে চান না জিলন। তিনি ক্যানসারকে জয় করে আবারও স্ত্রী-সন্তানদের কাছে সুস্থ মানুষ হিসেবে ফিরতে চান। চান, দুই সন্তানকে নিজের হাতে বড় করতে।

জিলন ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে সমাজের বিত্তবান, দানশীল ও সহানুভূতিশীল মানুষদের কাছে মানবিক সহায়তার আকুল আবেদন জানানো হয়েছে। আপনার সামান্য সহযোগিতাও হতে পারে একটি অসহায় পরিবারের জন্য বেঁচে থাকার নতুন আশার আলো।

সহায়তা পাঠানোর মাধ্যম:

বিকাশ/নগদ (ব্যক্তিগত): ০১৭৪৯৪৫৩৭৬১

মানুষ মানুষের জন্য আপনার সামান্য সহযোগিতাই পারে ক্যানসারে আক্রান্ত জিলনের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে এবং তার অসহায় পরিবারটিকে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখাতে।
২৭/৮/২০২৬

জি এম ছানাউল্লাহ, স্টাফ রিপোর্টার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
Development By: sahon srabon

ক্যানসারে আক্রান্ত রাজমিস্ত্রি জিলন বাঁচতে চান, সহায়তার আকুতি

আপডেট সময় : ০৮:৫০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাজমিস্ত্রি মোহাম্মদ জিলন (৩২)। দিনভর কঠোর পরিশ্রম করে দুই সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে স্বপ্নের ছোট্ট সংসার গড়ে তুলেছিলেন তিনি। নিজের হাতে অন্যের ঘর নির্মাণ করলেও আজ সেই জিলনের নিজের জীবনটাই যেন ভেঙে পড়ার পথে। মরণব্যাধি ক্যানসার কেড়ে নিয়েছে তার কর্মক্ষমতা, থমকে গেছে পরিবারের স্বাভাবিক জীবন।

শুধু জিলনই নন, তার স্ত্রীও দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক কিডনিজনিত জটিলতায় ভুগছেন। একদিকে স্বামীর ক্যানসারের চিকিৎসা, অন্যদিকে স্ত্রীর অসুস্থতা—দুই দিকের এই সংকটে পরিবারটি এখন অসহায়।

ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার পর সহায়-সম্বল যা ছিল, তা বিক্রি ও খরচ করে চিকিৎসা শুরু করেন জিলন। ইতোমধ্যে ঢাকার মহাখালীর জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) চিকিৎসা নিতে গিয়ে প্রায় তিন লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার জন্য আরও বিপুল অর্থের প্রয়োজন।

জিলনের দুই সন্তানই এখনও ছোট। তাদের কারও পক্ষে উপার্জন করা সম্ভব নয়। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি জিলন বর্তমানে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী। ফলে চিকিৎসার খরচ তো দূরের কথা, পরিবারের নিত্যদিনের খাবার ও প্রয়োজনীয় খরচ জোগাড় করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

পরিবারের স্বজনরা জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত চিকিৎসা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যা চালিয়ে যেতে পারলে জিলনের সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আশা রয়েছে। কিন্তু অর্থের অভাবে সেই চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়াই এখন সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চোখে বাঁচার স্বপ্ন, অথচ সামনে চিকিৎসার বিশাল ব্যয় এই কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও হাল ছাড়তে চান না জিলন। তিনি ক্যানসারকে জয় করে আবারও স্ত্রী-সন্তানদের কাছে সুস্থ মানুষ হিসেবে ফিরতে চান। চান, দুই সন্তানকে নিজের হাতে বড় করতে।

জিলন ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে সমাজের বিত্তবান, দানশীল ও সহানুভূতিশীল মানুষদের কাছে মানবিক সহায়তার আকুল আবেদন জানানো হয়েছে। আপনার সামান্য সহযোগিতাও হতে পারে একটি অসহায় পরিবারের জন্য বেঁচে থাকার নতুন আশার আলো।

সহায়তা পাঠানোর মাধ্যম:

বিকাশ/নগদ (ব্যক্তিগত): ০১৭৪৯৪৫৩৭৬১

মানুষ মানুষের জন্য আপনার সামান্য সহযোগিতাই পারে ক্যানসারে আক্রান্ত জিলনের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে এবং তার অসহায় পরিবারটিকে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখাতে।
২৭/৮/২০২৬

জি এম ছানাউল্লাহ, স্টাফ রিপোর্টার।