এটিওর বিরুদ্ধে শিক্ষকের যৌন হয়রানির ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১১:০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীর ডোমারে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানির অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় পর্যন্ত গড়ালেও দীর্ঘদিন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর গোবনাতী ইউনিয়নের সরকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একই বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হলে এলাকাবাসী ওই শিক্ষককে আটক করে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে মুচলেকা নেন এবং বিদ্যালয়ে না আসার শর্ত দেন।
পরবর্তীতে গোমনাতী ক্লাস্টারের সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) রুহুল আমিন বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলামকে অনুপস্থিত পান। যৌন হয়রানির অভিযোগের কারণে তিনি অনুপস্থিত—এমন বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে তাকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তীতে এটিও রুহুল আমিন ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানির ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং চাকরির ভয়ভীতি দেখিয়ে তিন ধাপে মোট ৫০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন। এ সংক্রান্ত কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে রুহুল আমিনকে ঘুষ দেওয়ার বিষয়ে কথা বলতে শোনা যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক প্রতিনিধি বলেন, যৌন হয়রানির মতো স্পর্শকাতর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে একজন সরকারি কর্মকর্তার নীরব থাকা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।













