সংবাদ শিরোনাম ::
লালমোহনে ছাত্রদল নেতাকে ১৬৯ পিস ইয়াবাসহ আ\ট\ক ! অত:পর বহিস্কার একনেক বৈঠক স্থগিত, আটকে গেল ১৫ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন ক্যান্সারে আক্রান্ত জেলে সাদ্দামের পাশে ‘তারুণ্যের পথচলা সংগঠন’, পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তা বোরহানউদ্দিনে ইয়াছিন পাড়া ডিগ্রি কলেজে ল্যাব সহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ চরফ্যাশনে এ পি পি এডভোকেট হিরনের বিরুদ্ধে জেলা জজের গন বিজ্ঞপ্তি তজুমদ্দিনে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে জেলেদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ উপজেলার মেধা তালিকায় ২য় হয়েও নিয়োগ বঞ্চিত লালমোহনের ফয়জুল আলম ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়ায় আজ মধ্যরাত থেকে ২২ দিনের জন্য ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা লালমোহনে এসএসসির বৃত্তির ফলাফলে হা-মীমের শিক্ষার্থীদের চমক শশীভূষণ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ তিন ডাকাত সদস্য গ্রেফতার !
সংবাদ শিরোনাম ::
লালমোহনে ছাত্রদল নেতাকে ১৬৯ পিস ইয়াবাসহ আ\ট\ক ! অত:পর বহিস্কার একনেক বৈঠক স্থগিত, আটকে গেল ১৫ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন ক্যান্সারে আক্রান্ত জেলে সাদ্দামের পাশে ‘তারুণ্যের পথচলা সংগঠন’, পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তা বোরহানউদ্দিনে ইয়াছিন পাড়া ডিগ্রি কলেজে ল্যাব সহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ চরফ্যাশনে এ পি পি এডভোকেট হিরনের বিরুদ্ধে জেলা জজের গন বিজ্ঞপ্তি তজুমদ্দিনে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে জেলেদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ উপজেলার মেধা তালিকায় ২য় হয়েও নিয়োগ বঞ্চিত লালমোহনের ফয়জুল আলম ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়ায় আজ মধ্যরাত থেকে ২২ দিনের জন্য ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা লালমোহনে এসএসসির বৃত্তির ফলাফলে হা-মীমের শিক্ষার্থীদের চমক শশীভূষণ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ তিন ডাকাত সদস্য গ্রেফতার !

সিরাজগঞ্জে ভ্যানচালক হত্যায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে ভ্যানচালক শাজাহান আলীকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখার অভিযোগে চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে চার জনকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ নিহত শাজাহান আলীর স্ত্রী শিরিনা খাতুন, শ্বশুর সিরাজ আলী ও শাশুড়ি বানেছা বেগমকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্তরা হলেন, কাজীপুর উপজেলার কুমারিয়াবাড়ী গ্রামের মেছের মেম্বরের ছেলে শিবলু ও ফরিদ শেখের ছেলে লাল মিয়া, অহেজ আলীর ছেলে সুরুজ আলী, জসীম শেখের ছেলে হারুন।

সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ-৩য় আদালতের বিচারক নজরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে এই রায় দেন।

আদালতের অতিরিক্ত পিপি এনামুল করিম শাহীন বলেন, মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে দীর্ঘ ১৫ বছর পর রায় ঘোষণা করে আদালত। মামলার মোট ৮ জন আসামির মধ্যে ৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং নিহতের স্ত্রী-শ্বশুর-শাশুড়িকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামি আসমা খাতুনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৬ সালে সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার কুমারিয়াবাড়ী গ্রামের সিরাজ আলীর মেয়ে শিরিনা খাতুনের সঙ্গে জামালপুর সরিষাবাড়ী উপজেলার বনগ্রাম গ্রামের আরফান আলীর ছেলে শাজাহান আলীর বিয়ে হয়। বিয়ের ৬ মাস পর শিরিনাকে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে আনা হয়। ২০ দিন পর শিরিনার শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে আনতে গেলে আসামি হারুন, শিবলু, সুরুজ ও লাল মিয়ার কুমন্ত্রণায় শিরিনার মা-বাবা শিরিনাকে শ্বশুর বাড়িতে আসতে বাধা দেয়।

এ নিয়ে শিরিনার সঙ্গে তার স্বামীর পারিবারিক বিরোধ শুরু হয়।

কিছুদিন পর শাজাহান আলী তার স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়িতে আনতে গেলে শ্বশুর-শাশুড়ির অনুরোধে সে শ্বশুরবাড়িতে থেকে যায় এবং ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। শাজাহান আলী শ্বশুরবাড়িতে থাকাবস্থায় আসামি হারুন ও শিবলু তার শ্বশুরবাড়িতে ঘন ঘন যাতায়াত করতে থাকেন। যাতায়াতের বিষয়টি নিষেধ করলে আসামিরা শাজাহান আলীকে মারপিট করে এবং হত্যার হুমকি দেয়।

২০০৯ সালের ১১ নভেম্বর শাজাহান আলী বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। পরের দিন ১২ নভেম্বর শ্বশুরবাড়ির উঠানে মাটির নিচ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তাকে হত্যা করে লাশ মাটিতে পুঁতে রাখা হয় বলে অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা আরফান আলী বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ৮ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১১ সালের ৪ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। দীর্ঘ ১৫ বছর পর এই মামলার রায় ঘোষণা করে আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
Development By: sahon srabon

সিরাজগঞ্জে ভ্যানচালক হত্যায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ১২:৪৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে ভ্যানচালক শাজাহান আলীকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখার অভিযোগে চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে চার জনকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ নিহত শাজাহান আলীর স্ত্রী শিরিনা খাতুন, শ্বশুর সিরাজ আলী ও শাশুড়ি বানেছা বেগমকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্তরা হলেন, কাজীপুর উপজেলার কুমারিয়াবাড়ী গ্রামের মেছের মেম্বরের ছেলে শিবলু ও ফরিদ শেখের ছেলে লাল মিয়া, অহেজ আলীর ছেলে সুরুজ আলী, জসীম শেখের ছেলে হারুন।

সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ-৩য় আদালতের বিচারক নজরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে এই রায় দেন।

আদালতের অতিরিক্ত পিপি এনামুল করিম শাহীন বলেন, মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে দীর্ঘ ১৫ বছর পর রায় ঘোষণা করে আদালত। মামলার মোট ৮ জন আসামির মধ্যে ৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং নিহতের স্ত্রী-শ্বশুর-শাশুড়িকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামি আসমা খাতুনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৬ সালে সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার কুমারিয়াবাড়ী গ্রামের সিরাজ আলীর মেয়ে শিরিনা খাতুনের সঙ্গে জামালপুর সরিষাবাড়ী উপজেলার বনগ্রাম গ্রামের আরফান আলীর ছেলে শাজাহান আলীর বিয়ে হয়। বিয়ের ৬ মাস পর শিরিনাকে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে আনা হয়। ২০ দিন পর শিরিনার শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে আনতে গেলে আসামি হারুন, শিবলু, সুরুজ ও লাল মিয়ার কুমন্ত্রণায় শিরিনার মা-বাবা শিরিনাকে শ্বশুর বাড়িতে আসতে বাধা দেয়।

এ নিয়ে শিরিনার সঙ্গে তার স্বামীর পারিবারিক বিরোধ শুরু হয়।

কিছুদিন পর শাজাহান আলী তার স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়িতে আনতে গেলে শ্বশুর-শাশুড়ির অনুরোধে সে শ্বশুরবাড়িতে থেকে যায় এবং ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। শাজাহান আলী শ্বশুরবাড়িতে থাকাবস্থায় আসামি হারুন ও শিবলু তার শ্বশুরবাড়িতে ঘন ঘন যাতায়াত করতে থাকেন। যাতায়াতের বিষয়টি নিষেধ করলে আসামিরা শাজাহান আলীকে মারপিট করে এবং হত্যার হুমকি দেয়।

২০০৯ সালের ১১ নভেম্বর শাজাহান আলী বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। পরের দিন ১২ নভেম্বর শ্বশুরবাড়ির উঠানে মাটির নিচ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তাকে হত্যা করে লাশ মাটিতে পুঁতে রাখা হয় বলে অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা আরফান আলী বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ৮ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১১ সালের ৪ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। দীর্ঘ ১৫ বছর পর এই মামলার রায় ঘোষণা করে আদালত।