বিডিআর হত্যার ৪ প্রত্যক্ষদর্শীর পেট কেটে বস্তায় বেঁধে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান
- আপডেট সময় : ০৮:০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ ৪ জনকে বলেশ্বর নদীতে নিয়ে চোখ বেঁধে, গুলি করে, পেট কেটে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে পানিতে ফেলা দেয়া হয় বলে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছের মেজর সাব্বির। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ গুমের মামলায় এ সাক্ষ্য দেন প্রত্যক্ষদর্শী মেজর সাব্বির।
মেজর সাব্বির ট্রাইব্যুনালে জানান, ২০১০ সালের মে মাসে র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড করে র্যাব ৮ এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা। পাথরঘাটার চরদুয়ানির বলেশ্বর নদীতে ফ্রিশিং ট্রলারে মুখ ও পুরো শরীর ঢেকে ৪ জনকে নিয়ে যায়। এরপর তাদেরকে নৃশংসভাবে মেরে ফেলে।
এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর র্যাবের সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম ও হত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য দিয়েছেন ট্রলার মাঝি আব্বাস মল্লিক।
এসময় তিনি অভিযোগ করেন, ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ধরে আনা লোকদের গুলি করতেন জিয়াউল আহসান। কোনো বন্দিকে একবার, কাউকে দুইবার গুলি করা হতো। এরপর তার গলায় অথবা পায়ে সিমেন্টের বস্তা বাঁধা হতো এবং মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হতো। আব্বাস মল্লিক জানান, বন্দিদের পেট কেটে দেওয়া ও মাথায় গুলি করার কারণে নাড়িভুঁড়ি ও মস্তিষ্ক বেরিয়ে আসতো এবং শরীর থেকে রক্ত পড়তো। এ কারণেই বোট ধোয়ার প্রয়োজন হতো। এরপর বোট ধুয়ে তারা চর দুয়ানীর বরফ মিলে ফিরে আসতেন।














