ভোলায় স্ত্রী ও শাশুড়ীর হামলায় ২ সন্তানের জনক আহত লজ্জায় বিষ পান
- আপডেট সময় : ১১:৫৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নিজের স্ত্রী ও শাশুড়ীর হামলায় ২ সন্তানের জনক রিয়াদ মোল্লা গুরুত্বর আহত হয়। শাশুড়ী ও স্ত্রী এই হামলায় লজ্জায় জামাই রিয়াদ বিষ পান করেন বর্তমানে সে বরিশাল শেবাচিমে মৃত্যুর প্রহর গুনছে।
অভিযোগ মতে- উপজেলার কুতুবা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের আব্দুল কাদির মোল্লার ছেলে -রিয়াদ মোল্লা আজ থেকে ১৩ বছর পূর্বে ঢাকাতে অবস্হান করার সময় পরিচয় হয় একই উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মুনাফ ফরাজীর মেয়ে রেহেনা আক্তার মুনমুনের সাথে। পরিচয় থেকে প্রেম অত:পর নিজেদের সিদ্ধান্তেই বিয়ে। ভালোই চলছিলো তাদের দাম্পত্য জীবন। দাম্পত্য সংসারে ২ টি কন্যা সন্তান ও রয়েছে তাদের। কিন্তুু এক পর্যায়ে মুনমুন জড়িয়ে পরে পরকীয়ায়। স্ত্রীর এই পরকীয়া বিষয়টি স্বামী রিয়াদ জানতে পারে গত ৫ মাস পূর্বে স্ত্রীকে নিয়ে স্বামী গ্রামের বাড়ীতে চলে আসে। কিন্তুু স্ত্রীর পরকীয়া ঠেকাতে ব্যর্থ হয় স্বামী। এ নিয়ে স্বামী স্ত্রীর সাথে প্রায়ই কথাকাটাকাটি হয়। স্ত্রী রাগকরে বাবার বাড়ী চলে যায়। গত ৮ সেপ্টেম্বর -রিয়াদ তার – স্ত্রীকে আনতে মনিরামস্হ উচাপুল শশুড় বাড়িতে যায়। তখন স্ত্রী ও শাশুড়ী মিলে রিয়াদকে বেদম মারপিট করে। আহত করে। আহত রিয়াদ বিকেলে বাড়ীতে চলে এসে নিজ গৃহের দরজা বন্ধ করে আত্নহত্যার জন্য কীটনাশক পান করে। তার গোগানু শব্দে পাশের ঘরের চাচী টের পেয়ে ডাকচিৎকার দিলে বাড়ীর লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বোরহানউদ্দিন স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে পরে সেখান থেকে ভোলা সদর হাসপাতালে প্রেরন করে। তার শারীরিক অবস্হার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শেরে – এ- বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়। বর্তমানে রিয়াদ শেবাচিমে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে রিয়াদের শাশুড়ী জোসনা বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি হামলার বিষয়ে অস্বীকার করে বলেন- আমার মেয়ে – জামাইর ভাত খাবে না বলে বাড়ী থেকে কোথায় গিয়েছে তা জানি না। তবে রেহানার ফোনে একাধিকবার ফোন দিলে অন্য এক ব্যাক্তি ফোন রিসিভ করেন।















